অপেক্ষার অবসান ঘটেছে। কলকাতার নাইট রাইডার্সের জার্সিতে ইডেনে প্রত্যাবর্তন ঘটেছে শ্রেয়স আইয়ারের। প্রস্তুতি ম্যাচ খেলতেও দেখা গেছে তাকে। আইপিএল এর আসন্ন মৌসুমের প্রথম ম্যাচ থেকে তার খেলার সম্ভাবনা ক্রমশ উজ্জ্বল হচ্ছে। রবিবার প্রস্তুতি ম্যাচের সকলের নজর ছিল শ্রেয়সের দিকে। রঞ্জি ট্রফি ফাইনালে মুম্বাইয়ের হয়ে ব্যাট ধরার সময় কোমরে চোট পেয়েছিলেন। শেষ দুদিন ফিল্ডিংও করতে পারেনি। অনেকেরই মনে হয়েছিল পুরনো চোট আঘাত হয়তো আবার ভোগাচ্ছে শ্রেয়সকে। কিন্তু কেকেআর শিবির কখনো দুশ্চিন্তায় ছিল না। রবিবার তারা সেই ছবিটা আরো পরিষ্কার করে দিয়েছে। টিম বাস থেকে শ্রেয়সরা নামার সময় এদিন খুব একটা ভিড় হয়নি ইডেনের বাইরে। কিন্তু যে ক’জন উপস্থিত ছিলেন সকলের মুখেই হাসি ফোটে শ্রেয়সকে ফিট দেখে। চোটের কারণে গত মরশুমে আইপিএল থেকেই ছিটকে গিয়েছিলেন কেকেআর অধিনায়ক। কিন্তু এবার সেই সুযোগ আর হাতছাড়া করতে চান না তিনি। ফিল্ডিং এর সময় খুব একটা চাপ নিতে দেখা গেল না, নাইট অধিনায়ককে। ফাইন লেগ ও মিড অফ অঞ্চলেই ঘোরাঘুরি করলেন তিনি। শুরুর দিকে একটি ক্যাচ ফস্কাতে দেখা গেলেও ব্যাটিংয়ের সময় তাকে যথেষ্টই চনমনে দেখায়। ২১ বলে ২৩ রান করে ফেরেন শ্রেয়স।
শুরুতে একটি দুরন্ত কভার ড্রাইভ আসে তাঁর ব্যাট থেকে। পরবর্তীতে ফ্লিক শটে একটি চারও মারেন। পরবর্তীতে খুচরো রান নিয়ে ইনিংস সাজাতে দেখা যায় তাঁকে।
ইনিংস পড়ার ভূমিকাই হয়তো এবছরের আইপিএলে পালন করবেন তিনি। তরুণ এক বাঁ হাতি স্পিনারের বলে উইকেট ছেড়ে বেরিয়ে স্টেপ আউট করে মারতে গিয়ে স্ট্যাম্পড হতে দেখা যায় তাঁকে। যদিও যা ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে, তাতে একটি বিষয় স্পষ্ট যে প্রথম ম্যাচ থেকেই খেলবেন শ্রেয়স।
অন্যদিকে নাইট অধিনায়কের পাশাপাশি এদিন নজর কেড়ে নেন ফিল সল্টও। ৪১ বলে অপরাজিত ৭৪ রান করে লাইমলাইট কেড়ে নেন ইংল্যান্ডের তারকা ওপেনার। উইকেট কিপিংয়ের পাশাপাশি ব্যাটসম্যান হিসেবেও যথেষ্ট ভরসা জোগালেন কলকাতা টিম ম্যানেজমেন্টকে। জেসন রয়ের পরিবর্তে তাঁকে দলে নিয়েছে কেকেআর। স্বাভাবিকভাবেই কেন তার দলে জায়গা পাকা হয়েছে, সেই উত্তরই হয়ত প্রথম ম্যাচে স্পষ্ট করলেন সল্ট। শুধুমাত্র জোরে বোলারদের বিরুদ্ধেই নয়, সমান গতিতে স্পিনারদের খেললেন সল্ট। তিনি নিজেও উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে এদিন বলেন, কলকাতার দর্শকদের সামনে মাঠে নামতে মুখিয়ে রয়েছেন তিনি।










