১৯৮৩ সালের বিশ্বকাপের মঞ্চে ভারতের পারফরম্যান্সের ব্যাপারে জেনে নিন

সেপ্টে. 14, 2023

No tags for this post.
Spread the love

Kapil Dev. (Photo Source: Twitter)

১৯৮৩ সালে ভারত প্রথমবারের জন্য বিশ্বকাপের শিরোপা জিতেছিল। এই বিশ্বকাপটিতে ভারতীয় দলকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন কপিল দেব। ইংল্যান্ডের মাটিতে অনবদ্য পারফরম্যান্সের প্রদর্শন করে ট্রফি জিতেছিল ভারত।

১৯৮৩ সালের বিশ্বকাপ জয়ের রাস্তা ভারতীয় দলের জন্য একেবারেই সহজ ছিল না। কিন্তু ভারতীয় দলের খেলোয়াড়রা তাদের সেরাটা দিয়ে ট্রফি জিততে সক্ষম হয়েছিল। এখন সেই বিশ্বকাপে ভারতের পারফরম্যান্সের ব্যাপারে জেনে নেওয়া যাক।

১. ভারত বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ (ম্যাচ ৪)

Team India. (Photo Source: Patrick Eagar/Popperfoto via Getty Images)

১৯৮৩ সালের বিশ্বকাপে নিজেদের প্ৰথম ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের মুখোমুখি হয়েছিল ভারত। এই ম্যাচটিতে একটি দুর্দান্ত জয় পেয়েছিল কপিল দেবের নেতৃত্বাধীন দল। প্ৰথমে ব্যাটিং করতে নেমে স্কোরবোর্ডে ৬০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৬২ রান তুলেছিল ভারত।

যশপাল শর্মা ১২০ বলে ৮৯ রানের একটি অসাধারণ ইনিংস খেলেছিলেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজ রান তাড়া করতে নেমে ২২৮ রানে অলআউট হয়ে গিয়েছিল। রজার বিনি এবং রবি শাস্ত্রী দুজনেই ৩টি করে উইকেট শিকার করেছিলেন। ভারত ৩৪ রানে ম্যাচটি জিতে নিয়েছিল। যশপাল শর্মা এই ম্যাচটিতে ম্যাচসেরার পুরস্কার পেয়েছিলেন।

২. ভারত বনাম জিম্বাবুয়ে (ম্যাচ ৮)

Team India. (Photo Source: Getty Images)

ওয়েস্ট ইন্ডিজের পর জিম্বাবুয়ের মুখোমুখি হয়েছিল ভারত। এই ম্যাচটিতে খুব সহজেই জয় পেয়েছিল ভারতীয় দল। জিম্বাবুয়ে ৫১.৪ ওভারে মাত্র ১৫৫ রানে অলআউট হয়ে গিয়েছিল। মদন লাল ১০.৪ ওভারে মাত্র ২৭ রান দিয়ে ৩টি উইকেট শিকার করেছিলেন।

ভারত রান তাড়া করতে নেমে ৩৭.৩ ওভারে ৫ উইকেটে ১৫৭ রানে পৌঁছে ম্যাচটি জিতে নিয়েছিল। সন্দীপ পাতিল ৫৪ বলে ৫০ রানের একটি সুন্দর ইনিংস খেলেছিলেন। এই ম্যাচে ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতেছিলেন মদন লাল।

৩. ভারত বনাম অস্ট্রেলিয়া (ম্যাচ ১১)

Team India. (Photo Source: Patrick Eagar/Popperfoto via Getty Images)

এই বিশ্বকাপে নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হয়েছিল কপিল দেবের নেতৃত্বাধীন দল। এই ম্যাচটিতে ভারত অনেক বড় ব্যবধানে পরাজিত হয়েছিল। অস্ট্রেলিয়া ৬০ ওভারে ৯ উইকেটে ৩২০ রান করেছিল। ট্রেভর চ্যাপেল ১৩১ বলে ১১০ রানের একটি অসাধারণ ইনিংস খেলেছিলেন। কপিল দেব ১২ ওভারে ৪৩ রান দিয়ে ৫ উইকেট নিয়েছিলেন।

অস্ট্রেলিয়ার এই রানের পাহাড়ের সামনে মাত্র ১৫৮ রানে অলআউট হয়ে গিয়েছিল ভারত। কপিল দেব ২৭ বলে ৪০ রানের একটি সুন্দর ইনিংস খেলেছিলেন। কেন ম্যাকলে ১১.৫ ওভারে মাত্র ৩৯ রান দিয়ে ৬টি উইকেট শিকার করেছিলেন। এই ম্যাচটিতে ম্যাচসেরার পুরস্কার পেয়েছিলেন ট্রেভর চ্যাপেল।

৪. ভারত বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ (ম্যাচ ১৪)

Team India. (Photo Source: Patrick Eagar/Popperfoto via Getty Images)

গ্রুপ পর্বে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ম্যাচটিতে ৬৬ রানে পরাজিত হয়েছিল ভারত। ওয়েস্ট ইন্ডিজ প্ৰথমে ব্যাট করে স্কোরবোর্ডে ৬০ ওভারে ৯ উইকেটে ২৮২ রান তুলতে সক্ষম হয়েছিল। ভিভ রিচার্ডস ১৪৬ বলে ১১৯ রানের একটি অনবদ্য ইনিংস খেলেছিলেন।

ভারত ২১৬ রানে অলআউট হয়ে গিয়েছিল। মহিন্দর অমরনাথ ১৩৯ বলে ৮০ রানের একটি সুন্দর ইনিংস খেলেছিলেন। মাইকেল হোল্ডিং ৯.১ ওভারে ৪০ রান দিয়ে ৩টি উইকেট নিয়েছিলেন। এই ম্যাচে ভিভ রিচার্ডসকে ম্যাচসেরার পুরস্কার দেওয়া হয়েছিল।

৫. ভারত বনাম জিম্বাবুয়ে (ম্যাচ ২০)

Kapil Dev. (Photo Source: Trevor Jones/Allsport/Getty Images/Hulton Archive)

এই ম্যাচটিতে প্ৰথমে ব্যাটিং করে স্কোরবোর্ডে ৬০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৬৬ রান তুলেছিল ভারত। এই ম্যাচটিতে ভারতকে ব্যাটিং বিপর্যয় থেকে উদ্ধার করেছিলেন কপিল দেব। তিনি ১৩৮ বলে অপরাজিত ১৭৫ রানের একটি দুর্ধর্ষ ইনিংস খেলেছিলেন।

জিম্বাবুয়ে ৫৭ ওভারে ১০ উইকেটে ২৩৫ রান করতে সক্ষম হয়েছিল। মদন লাল ১১ ওভারে ৪২ রান দিয়ে ৩টি উইকেট শিকার করেছিলেন। এই ম্যাচটিতে ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতেছিলেন কপিল দেব।

৬. ভারত বনাম অস্ট্রেলিয়া (ম্যাচ ২৩)

Team India. (Photo Source: Adrian Murrell/Allsport/Getty Images/Hulton Archive)

গ্রুপ পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হয়েছিল ভারত। এই ম্যাচটিতে অস্ট্রেলিয়াকে ১১৮ রানে পরাজিত করেছিল ভারতীয় দল। কপিল দেবের নেতৃত্বাধীন দল প্ৰথমে ব্যাটিং করে স্কোরবোর্ডে ৫৫.৫ ওভারে ১০ উইকেটে ২৪৭ রান তুলেছিল।

রান তাড়া করতে নেমে মাত্র ১২৯ রানে অলআউট হয়ে গিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। রজার বিনি এবং মদন লাল যথাক্রমে ৮ ওভারে ২৯ রান এবং ৮.২ ওভারে ২০ রান দিয়ে ৪টি করে উইকেট শিকার করেছিলেন। এই ম্যাচে ম্যাচসেরার পুরস্কার পেয়েছিলেন রজার বিনি।

৭. ভারত বনাম ইংল্যান্ড (প্ৰথম সেমিফাইনাল)

IND vs ENG. (Photo Source: Patrick Eagar/Popperfoto via Getty Images)

এই ম্যাচটিতে ভারত একটি অসাধারণ জয় পেয়েছিল। ইংল্যান্ড প্ৰথমে ব্যাটিং করে স্কোরবোর্ডে ৬০ ওভারে ১০ উইকেটে মাত্র ২১৩ রান তুলেছিল। কপিল দেব ৩টি উইকেট শিকার করেছিলেন। অন্যদিকে, রজার বিনি এবং মহিন্দর অমরনাথ ২টি করে উইকেট নিয়েছিলেন।

ভারত ৩২ বল বাকি থাকতেই ৪ উইকেটে ২১৭ রানে পৌঁছে ম্যাচটি জিতে নিয়েছিল। যশপাল শর্মা ১১৫ বলে ৬১ রানের একটি সুন্দর ইনিংস খেলেছিলেন। সন্দীপ পাতিল ৩২ বলে অপরাজিত ৫১ রানের একটি ঝোড়ো ইনিংস খেলেছিলেন। মহিন্দর অমরনাথকে এই ম্যাচটিতে ম্যাচসেরার পুরস্কার দেওয়া হয়েছিল।

৮. ভারত বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ (ফাইনাল)

IND vs WI. (Photo Source: Adrian Murrell/Allsport/Getty Images/Hulton Archive)

এই বিশ্বকাপে এটি ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ভারতের তৃতীয় ম্যাচ। এই ম্যাচটিতে প্ৰথমে ব্যাটিং করে স্কোরবোর্ডে ৫৪.৪ ওভারে ১০ উইকেটে মাত্র ১৮৩ রান তুলতে সক্ষম হয়েছিল ভারত। কৃষ্ণমাচারি শ্রীকান্ত ৫৭ বলে ৩৮ রান করেছিলেন। অ্যান্ডি রবার্টস ৩টি উইকেট নিয়েছিলেন।

ফাইনাল ম্যাচে ভারতের দুর্দান্ত বোলিং পারফরম্যান্সের সামনে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হার মানতে হয়েছিল। ওয়েস্ট ইন্ডিজ মাত্র ১৪০ রানে অলআউট হয়ে গিয়েছিল। মহিন্দর অমরনাথ এবং মদন লাল ৩টি করে উইকেট পেয়েছিলেন। ভারত ৪৩ রানে ম্যাচটিতে জয় পেয়েছিল। এই ম্যাচটিতেও ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতেছিলেন মহিন্দর অমরনাথ।

The post ১৯৮৩ সালের বিশ্বকাপের মঞ্চে ভারতের পারফরম্যান্সের ব্যাপারে জেনে নিন appeared first on CricTracker Bengali.

Subscribe to Telegram
শীঘ্রই শুরু হতে যাচ্ছে আইসিসি বিশ্বকাপ! প্রারম্ভিক একচেটিয়া উপহারের জন্য এখনই MCW-তে সদস্যতা নিন!
অ্যাটলেটিকো ডি মাদ্রিদ আনুষ্ঠানিক আঞ্চলিক পার্টনার হিসাবে মেগা ক্যাসিনো ওয়ার্ল্ড (MCW) ঘোষণা করেছে।
বুন্দেসলিগা ইন্টারন্যাশনাল এশিয়ার মেগা ক্যাসিনো ওয়ার্ল্ডের সাথে একটি আঞ্চলিক অংশীদারিত্বে সম্মত হয়েছে
প্রিটোরিয়া ক্যাপিটালস SA20 এর দ্বিতীয় সিজনের জন্য প্রধান অংশীদার হিসাবে মেগা ক্যাসিনো ওয়ার্ল্ডকে ঘোষণা করেছে
Mega Casino World Anrich Nortje কে নতুন ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে ঘোষণা করেছে
MCW Sports Joins Gladiators’ Family as Platinum Sponsor for PSL8
MCW Sports - Ambassador